6 Stops On The Road-map to Buying Your Dream Home

Blog » Investment Decision

6 stops on the roadmap to your dream home 206858
October 6, 2016 Investment Decision

Are you on the hunt to buy your first home? Buying a home is a huge financial, personal as well as emotional ordeal so make sure you think it through. After all, it is usually, once in a lifetime investment. This article will guide you on how to start the apartment search towards the fulfillment of your home-ownership dream.

Here are 6 stops that will bring you closer to the destination of your home.

1. Explore online

With digital marketing being a hit in today’s era, as a consumer, you have a lot more options to view properties than just check out the newspaper ads. You can go to real estate company’s website and see properties listed, their features and amenities, floor plans and you can surf all these right from the comfort of your living room.

This online exploration gives you a kind of freedom as it is a one-way communication without any salesperson trying to close the deal. You have the power whether you want to hit the contact button or not.

2. Make the connection

Once you have come across a project that seems appropriate to you, the second stop in home buying is to establish a formal contact. Again in the modern times, you don’t have to leave your home in the initial stages or even make a call. You can simply email the real estate company for details or any additional information you require to see if the property you are interested in is actually the right match for you.

3. Check out the developer company

Today, there are thousands of real estate companies operating in the country, some new and some established. Since real estate is a once in a lifetime investment you should be careful in who you are dealing with. Check out the company’s reputation in the marketplace, years of experience, clients’ testimonials. You can go to company’s website or social media pages to find this information. If you have friends or family who have bought from them, asking them will also give you a clear picture about the company’s reliability.

4. Consider the big picture

Just because a project comes with an attractive offer, doesn’t mean you have to jump in and buy instantly. There are a lot of different factors involved in the home buying decision such as:

Location: Decide whether you want to live in the current location or move somewhere else. You need to research the location if you want to move somewhere new. Consider provision of hospitals, schooling for children, grocery stores, etc within the vicinity of your apartment. Location will affect your apartment price too. For instance, in prime locations like Gulshan, Banani, Dhanmondi the price is on the upper scale side, whereas locations like Uttara, Mirpur, Eskaton are more suited for middle-income people.

Surroundings: Apart from the location, your apartment’s surroundings matter too. Your apartment’s surrounding will affect your lifestyle for years to come. If you prefer calm and quietness you might be inclined to residential areas such as Bashundhara R/A. Or if you prefer the city life, main street corner plots might be more up your arena for commuting easily to other city areas.

Future prospects of the surroundings: Since buying a home is one of the biggest investments in your life, you also need to think long term. Before investing think what can happen to the location after 10 years- is there scope of development in your immediate surroundings or not? This will ensure you make a sound investment decision.

Apartment size: When shopping for home, the size is another important determinant. For instance,apartment size will not only dictate how many family members it can accommodate but also the pricing. If you are a newly married couple you can easily look for apartment size as small as 750sqft within affordable price. For medium-ranged apartments, the average size is 1200sqft and above. And if you are looking for luxurious apartments, starting from 1800sqft and above, the price will be premium too.

Apartment features and amenities: Today apartments come with various features, amenities, and facilities to make apartment living a joyous experience. But not all of those might be required for your lifestyle. Consider which features and amenities add value for you, such as if you are health conscious, does the apartment have a gym to serve you? Or if you love nature, is there enough greenery? You can find this sort of information on company’s website or from project brochure.

5. Schedule one-on-one meeting

If you get the green signal in the aforementioned step, you will need to make a visit to the developer company. Having a one-on-one meeting will make communications easier and ensure transparency. If for some reason you are unable to visit personally, because you live abroad, of course, in that case, online communication is the ideal way to go, or you could have a trusted friend or relative visit the developer company and talk to someone to make things clearer.

6. Arrange the finances for your purchase

If you have sufficient fund you can simply skip this step and move onto the next part. If not, you can consider taking a home loan. Banks can provide upto 70% of total amount as home loan and buyer has to pay 30% from own equity. With single digit interest rate and a lot of banks offering tie-ups with developer companies, it is easy to get a home loan nowadays.

Before making any final decision you should consider how much you can afford- your savings so far, home loan, EMI as well as registration/transfer/mutation cost. You can check out this article http://www.btibd.com/in-home-loan-what-is-emi-and-how-is-it-calculated/ on how to calculate your EMI.

Some companies also offer special pricing when project launching, apartment fairs etc, where you can book a home with some discounted price. Usually projects that are new have this provision. You can also take such an opportunity to find your new home.

Weigh in all the factors and decide if the home is right for you, not just in the moment but also for your future life. Trust your instinct, it is usually right. Also, before making any concrete decision, consult with your family members or elders.

Hopefully, following the above steps you can find your way to the home that is perfect for you. You can also browse through bti’s property listing to start the search for your dream home.


আপনার স্বপ্নের অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়ের পরিকল্পনায় ৬টি স্টপেজ

অনু্বাদক: আহমেদ নাজিয়া

আপনি কি আপনার প্রথম অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়ের জন্য হন্য হয়ে খুঁজছেন? একটি অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় করা অর্থনৈতিক, মানসিক ও ব্যক্তিগত ভাবে অত্যন্ত কষটদায়ক এবং ঝামেলার কাজ তাই আপনি ভালোভাবে চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা নিশ্চিত হোন। কারন সাধারনত অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়ে মানুষ জীবনে একবারই বিনিয়োগ করে থাকে। অনুচ্ছেদটিতে আপনার অ্যাপার্টমেন্ট খোজা থেকে শুরু করে আপনার স্বপ্নের অ্যাপার্টমেন্টের মালিক পর্যন্ত দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এই ৬টি স্টপেজ এর মাধ্যমে আপনি স্বপ্নের অ্যাপার্টমেন্টের একদম কাছাকাছি পৌছে যাবেন।

১. অনলাইন খুজে দেখুন

ডিজিটাল যুগের ক্রেতা হিসেবে শুধুমাত্র খবরের কাগজের বিজ্ঞাপন ছাড়াও নতুন অ্যাপার্টমেন্টের খবর আপনি অনেক ভাবেই পেতে পারেন। খুব সহজেই আপনি রিয়েল এস্টেট কোম্পানীর ওয়েবসাইট থেকে পছন্দের অ্যাপার্টমেন্ট সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য যেমন সুযোগ সুবিধার তালিকা, ফ্লোর প্ল্যান ইত্যাদি পাবেন। অনলাইন যাচাই বাছাই এ একধরনের স্বাধীনতা আছে যেখানে আপনি বিক্রয় প্রতিনিধির চাপ ছাড়াই নিজের ইচ্ছে মত অ্যাপার্টমেন্ট খুজতে পারবেন।

২. যোগাযোগ স্থাপন:

কোন প্রোজেক্ট পছন্দ হলে দ্বিতীয় স্টপেজ হবে যোগাযোগ স্থাপন করা এবং সেটার জন্যও আপনাকে অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে যেতে হবে না, দরকার হবে না ফোনে কথা বলারও। আপনি শুধু একটি মেইল করে জেনে নিতে পারেন প্রোজেক্ট সম্পর্কিত যেকোন তথ্য যেগুলোর মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন এটি আপনার জন্য পছন্দনীয় কিনা।

৩. রিয়েল এস্টেট কোম্পানীকে যাচাই করা:

বর্তমানে হাজারো রিয়েল এস্টেট কোম্পানী দেশে ব্যবসা করছে, কিছু নতুন কিছু প্রতিষ্ঠিত। যেহেতু অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় সারাজীবনের একটি বিনিয়োগ সুতরাং আগে থেকেই জেনে নেওয়া উচিৎ কার কাছ থেকে আপনি কিনছেন। কোম্পানীর সুনাম, অভিজ্ঞতা, ক্লায়েন্টদের মতামত এগুলো সম্পর্কে আগে থেকেই জেনে নেওয়া ভালো। ওয়েবসাইট, সংবাদপত্র থেকে এই তথগুলো পাওয়া যেতে পারে অথবা পরিচিতদের কাছ থেকে সাহায্য নেয়া যায় যে ওই নির্দিষ্ট কোম্পানী থেকে আগেই অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছে।

৪. সবকিছু বিবেচনা করা:

শুধুমাত্র দাম কম হলে বা আপনার পছন্দ হলেই সাথে সাথে অ্যাপার্টমেন্ট না কিনে কিছু বিষয় আগে থেকে বিবেচনা করেই এগিয়ে যাওয়া উচিৎ। অ্যপার্টমেন্ট ক্রয়ের সিদ্ধান্তর যে বিষয়গুলো জড়িত,

লোকেশন: আগে ভাবুন নতুন অ্যাপার্টমেন্ট কোথায় ক্রয় করতে চান, যেখানে বর্তমানে থাকেন সেখানে নাকি নতুন কোন এলাকায়। তবে যদি নতুন কোথাও থাকতে চান সেক্ষেত্রে আগে থেকে ঐ এলাকা নিয়ে কিছু জানার চেষ্টা করুন। আশেপাশে হাসপাতাল, বাচ্চাদের স্কুল, মুদি দোকান এগুলো আছে কিনা জেনে নিন। এলাকা অনুযায়ী অ্যাপার্টমেন্টের দামও উঠানামা করে। যদি আপনি গুলশান, বনানী অথবা ধানমন্ডিতে অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় চান তাহলে দাম বেশি পড়বে। আবার উত্তরা, মিরপুর, ইস্কাটন এলাকাটি মধ্যবিত্তদের জন্য উপযুক্ত।

আশপাশের এলাকা: লোকেশন বাদেও এপার্টমেন্টের আশে পাশের অনেক স্থাপনা বা স্থান বছরের পর বছর আপনার জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করবে। যদি শান্ত কোলাহলমুক্ত পরিবেশ চান সেক্ষেত্রে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা আপনার জন্য উপযুক্ত আর যদি শহুরে জীবন চান তাহলে প্রধান রাস্তার পাশের প্লট যোগাযোগ ব্যবস্থাকে উন্নত করবে।

ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা: যেহেতু সারাজীবনের জন্য আপনি বিনিয়োগ করছেন, তাই আপনাকে সুদূরপ্রসারী চিন্তা করতে হবে। বিনিয়োগ করার আগেই আপনাকে ভাবতে হবে যে স্থানে আপনি অ্যাপার্টমেন্ট কিনতে চাইছেন সেই স্থানে এবং তার আশে পাশের এলাকায় এখন থেকে ১০ বছর পরে কতটুকু উন্নতি ঘটতে পারে অথবা কোন উন্নতি অদৌ হবে কিনা। এগুলো নিয়ে আগে চিন্তা করলে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে।

অ্যাপার্টমেন্টের আকৃতি: অ্যাপার্টমেন্টের আকৃতি একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়। শুধুমাত্র পরিবারের সদস্য বিবেচনা করেই অ্যাপার্টমেন্টের আকৃতি কত হবে সেটা নির্ধারিত হয় না, দামের উপরও সেটা নির্ভর করে। যদি আপনি সদ্য বিবাহিত হয়ে থাকেন তাহলে ৭৫০ স্কয়ার ফিটের অ্যাপার্টমেন্ট কম দামের মধ্যেই পেয়ে যাবেন। মোটামুটি দামের অ্যাপার্টমেন্ট ১২০০ স্কয়ার ফিট বা তার বেশিও হতে পারে। আর যদি আপনি বিশাল অ্যাপার্টমেন্ট চান যার আকৃতি ১৮০০ স্কয়ার ফিট বা তার বেশি হবে সেক্ষত্রে আপনাকে অনেক বেশি দাম দিতে হবে।

অ্যাপার্টমেন্ট এর বৈশিষ্ট্য এবং গুনাগুন: বর্তমানে অ্যাপার্টমেন্ট নানা ধরনের সুযোগ সুবিধা দিয়ে বানানো হয় যেগুলো আপনার অ্যাপার্টমেন্টকে বসবাসের জন্য আরো বেশি আনন্দদায়ক করে তোলে। কিন্তু তার ভিতরেও অনেক কিছুই থাকে যেগুলো আপনার জন্য খুব একটা জরুরী নয়। যে সুবিধাগুলো আপনার দরকার সেগুলো আগে থেকে বিবেচনা করা উচিৎ যেমন আপনি যদি স্বাস্হ্য সচেতন হয়ে থাকেন সেক্ষত্রে এপার্টমেন্টের সাথে জিমনেসিয়াম আছে কিনা সেটা আপনি জেনে নিতে পারেন। অথবা আপনি যদি প্রকৃতি প্রেমিক হয়ে থাকলে লক্ষ রাখবেন এপার্টমেন্টের চারিদিকে কতটা সবুজ পরিবেশ আছে। এই তথ্যগুলো আপনি ওই নির্দিষ্ট কোম্পানীর ওয়েবপেজ থেকে সংগ্রহ করুন।

৫. সরাসরি সাক্ষাৎ করা:

দেখেশুনে পছন্দ হবার পর যদি আপনি সামনে এগোতে চান তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ হলো আপনাকে ডেভেলপার কোম্পানীর সাথে দেখা করা। সরাসরি কথা বললে অনেক বিষয় পরিষ্কার হবে এবং পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। দেশে না থাকার কারনে যদি আপনি সরাসরি দেখা করতে না পারেন সেক্ষেত্রে অনলাইন যোগাযোগ ব্যবস্থার সাহায্য নেয়া যেতে পারে। অথবা আপনার পরিচিত ও বিশ্বস্ত কেউ ডেভেলপার কোম্পানীর সাথে যোগাযোগের ব্যবস্থা করে দিতে পারে। হয়তো তার মাধ্যমে আপনি অনেক তথ্য পাবেন এবং আপনার কাজ অনেকটা সহজ হবে।

৬. প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা করা:

অ্যাপার্টমেন্ট কেনার পর্যাপ্ত টাকা যদি আপনার কাছে থাকে তাহলে এই ধাপ সহজেই পার হয়ে যেতে পারবেন। আর যদি টাকা না থাকে তাহলে ব্যাংক থেকে টাকা ঋণ নেবার ব্যাপারে আপনাকে ভাবতে হবে। ব্যাংক আপনাকে অ্যাপার্টমেন্টের দামের শতকরা ৭০% ঋণ দেবে এবং বাকি ৩০% আপনার যোগান দিতে হবে। ব্যাংকের নানা সুবিধা এবং সুদের হার এক অংকের হওয়ার কারনে ঋণের ব্যাপারটা এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে। তবে ঋন নেবার আগে অবশ্যই আপনাকে আপনার সামর্থ্যের কথা চিন্তা করতে হবে এবং অবশ্যই আপনার সেভিং, ইএমআই ও রেজিস্ট্রেশনের ব্যাপারটি মাথায় রাখতে হবে। আপনি http://www.btibd.com/in-home-loan-what-is-emi-and-how-is-it-calculated/ এই লিংকে ইএমআই কিভাবে হিসাব করা হয় তা বিস্তারিত জানতে পারবেন।

কিছু কিছু কোম্পানী তাদের প্রোজেক্ট বাজারে ছাড়ার সময়, অথবা বিভিন্ন অ্যাপার্টমেন্ট মেলায় কম দাম অফার করে, যেখান থেকে আপনি কিছুটা ছাড়ে অ্যাপার্টমেন্ট বুকিং দিতে পারেন। সাধারনত নতুন প্রোজেক্টের ক্ষেত্রে এই অফারগলো দেয়া হয়। আপনিও এই সুবিধাগুলো কাজে লাগিয়ে আপনার জন্য নতুন অ্যাপার্টমেন্ট খুজতে পারেন।

সব কিছু বিবেচনা করে ঠিক করতে হবে কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত কারন অ্যাপার্টমেন্ট সারাজীবনের জন্য। নিজের পছন্দের উপর বিশ্বাস রাখা উচিৎ কারন সেটি বেশিরভাগ সময় সঠিকই হয়। জটিল কোন পরিকল্পনার করার আগে পরিবারের সবার সাথে অথবা বড়দের সাথে অবশ্যই পরামর্শ করা উচিৎ।

আশা করা যায় উপরের ধাপগুলো অবশ্যই আপনাকে আপনার পছন্দের অ্যাপার্টমেন্টটি খুজতে সহায়তা করবে। আপনার অ্যাপার্টমেন্টের খোঁজ শুরু করতে আপনি বিটিআই এর প্রোপার্টি লিস্টটি ব্রাউজ করে দেখতে পারেন।